হুপ্-হুপ্-হুপ্
গোল করিস্ না চুপ,
(দেখ) যেমন আমার বল-বিক্রম
তেমনি আমার রূপ।
পরের গাছের আম কিম্বা,
পরের বাড়ির পাকা রম্ভা,
ছিঁড়ে নিয়ে দিই লম্বা,
খাই কুপ্-কূপ।
গোল করিস্ না চুপ্॥
আমি ত্রেতা যুগের বীর,
বুদ্ধি ভারি ধীর,
এ-চাল হতে ও-চাল যাই,
থাকিনাকো স্থির।
অশোক বন হতে,
আম আনি ভারতে,
এমনি তোরা নিমকহারাম
দিসনাকো খেতে,
খেতে গেলে করিস তাড়া
নিয়ে ধনুক-তীর।
আমি ত্রেতা যুগের বীর।
এখন নাই আমার সে দিন,
ক্রমে তনু হচ্ছে ক্ষীণ
তার উপরে ছোঁড়াগুলো
দেখলে বাজায় টিন।
কাজেই আমার নাচতে
হয় ধাতিন্-তিন্॥
সবাই কাঁপে আমার তেজে,
বোধ হয় মালুম পাচ্ছ লেজে,
আমি সাগর বেঁধেছি,
রাবণ বধেছি,
সোনার লঙ্কা আগুন দিয়ে
দগ্ধ করেছি,
হাতে-মুখে-পায়ে আমার
আছে তাহার চিন।
এখন নাই আমার সে দিন।।
কুত্তায় কামড় মারে,
তাইতে লেজ নিয়েছি ঘাড়ে,
এখন কুকুর দেখে ভয় করিনে
আর কি খেতে পারে?
আমার পেছন ছোটে যদি
মারর্ এক আছাড়ে।
আমি লেজ নিয়েছি ঘাড়ে।
রচনাকাল: ২২ ভাদ্র ১৩২২ বঙ্গাব্দ।
মন্তব্য করুন