প্রতি পূর্ণিমার মধ্যরাতে একবার
আকাশের দিকে তাকাই।
গৃহত্যাগী হবার মতো জ্যোছনা কি উঠেছে?
বালিকা ভুলানো জ্যোছনা নয়,
যে জ্যোছনায় বালিকারা ছাদের
রেলিং ধরে ছুটোছুটি করতে করতে বলবে,
ও মাগো, কী সুন্দর চাঁদ!
নবদম্পতির জ্যোছনাও নয়,
যে জ্যোছনা দেখে স্বামী গাঢ় স্বরে স্ত্রীকে বলবে,
দেখো দেখো,
চাঁদটা তোমার মুখের মতোই সুন্দর।
কাজলা দিদির স্যাঁতস্যাঁতে
জ্যোছনা নয়,
যে জ্যোছনা বাসি স্মৃতিপূর্ণ ডাস্টবিন উল্টে দেয় আকাশে।
কবির জ্যোছনা নয়,
যে জ্যোছনা দেখে কবি বলবেন,
কী আশ্চর্য রুপোর থালার মতো চাঁদ।
আমি সিদ্ধার্থের মতো
গৃহত্যাগী জ্যোছনার জন্য বসে আছি।
যে জ্যোছনা দেখামাত্র গৃহের সমস্ত
দরজা খুলে যাবে।
ঘরের ভেতর
ঢুকে পড়বে বিস্তৃত প্রান্তর।
প্রান্তরে হাঁটব, হাঁটব, আর হাঁটব।
পূর্ণিমার চাঁদ স্থির হয়ে থাকবে মধ্য আকাশে,
চারদিক থেকে বিবিধ কণ্ঠ
ডাকবে, আয় আয় আয়…
প্রকাশিতঃ ১৯৯৬ইং।
মন্তব্য করুন