ভাঙা তৃণমূলে ভাটার টান! ২১ জুলাইয়ের জোড়া সমাবেশে জমায়েত গত বছরের পাঁচ শতাংশ ১৩ বছর ধরে স্বীকৃতি বঞ্চিত গাইবান্ধার ২১৩ প্রতিবন্ধী শিশুর জেলা মডেল স্কুল ইরানে ১১তম রাতেও আমেরিকার হামলা, কূটনৈতিক প্রচেষ্টা ব্যর্থ হওয়ার পথে অস্ত্র হাতে যুদ্ধ করতেন মিশরের রাজকন্যারা! ৪০০০ বছর আগের মমি গবেষণায় চাঞ্চল্য আইসিইউয়ে অমিতাভ বচ্চন, জীবনের কঠিনতম সময়ের কথা জানালেন নিজেই ইরান-যুক্তরাষ্ট্র যুদ্ধ: ১০ম রাতেও বিমান হামলা, ৩ মার্কিন সেনা নিহত, আহত প্রায় ১০০ বাংলাদেশে করোনাভাইরাস (COVID-19): উৎপত্তি, বিস্তার, লক্ষণ, প্রতিরোধ ও বর্তমান পরিস্থিতি WordPress বনাম Custom Website: আপনার ব্যবসার জন্য কোনটি সেরা? ওমানে মৌখিক সাহিত্য এখন ভিজ্যুয়াল আর্টে: ঐতিহ্য থেকে আধুনিকতার পথে অবশেষে উপলব্ধি
LIVE
দৈনিক চালচিত্র | dailychalchitra.com
সংবাদ

১৩ বছর ধরে স্বীকৃতি বঞ্চিত গাইবান্ধার ২১৩ প্রতিবন্ধী শিশুর জেলা মডেল স্কুল

লেখক: ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: 22 July, 2026, 08:51 AM

গাইবান্ধা প্রতিনিধি: ১৩ বছর ধরে বিনা বেতনে চলছে একটি বিশেষায়িত বিদ্যালয়। ২১৩ জন বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক শিশুর শিক্ষা ও বেঁচে থাকার একমাত্র অবলম্বন এই প্রতিষ্ঠান। কিন্তু আজও মেলেনি সরকারি স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তি। এমনই এক মানবিক সংকটে দিন কাটছে গাইবান্ধা সদরের রামচন্দ্রপুর এ.আর. বুদ্ধি প্রতিবন্ধী ও অটিস্টিক বিদ্যালয়ের।

এই বিষয়ে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান উপদেষ্টা, মাননীয় সমাজকল্যাণ উপদেষ্টা, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব মহোদয় এবং সমাজসেবা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মহোদয়ের জরুরি হস্তক্ষেপ ও সুদৃষ্টি কামনা করেছেন বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

জানা যায়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুযায়ী গতকাল উপজেলা একাডেমিক সুপারভাইজার মহোদয় বিদ্যালয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেছেন। পরিদর্শনে সকল কাগজপত্র ও অবকাঠামো সঠিক পাওয়া গেছে। আজই পূর্ণাঙ্গ ফাইল মন্ত্রণালয়ে জমা দেওয়া হচ্ছে।

কেন এই প্রতিষ্ঠানটি স্বীকৃতি পাওয়ার যোগ্য?

সরেজমিনে অনুসন্ধানে দেখা যায়, এই প্রতিষ্ঠানটি সরকারের সকল শর্ত পূরণ করেছে:

১. সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী জেলা মডেল: প্রতিষ্ঠানটি “জেলা মডেল এনডিডি স্কুল” হিসেবে নিজস্ব নামে রেজিস্ট্রিকৃত জমির উপর প্রতিষ্ঠিত, যা বিরল।
২. অবস্থান ও অবকাঠামো: জেলা সদরের নিকটে, নিজস্ব টিনশেড ভবন, ৮টি শ্রেণি কক্ষ, স্পেশাল সেন্সরি রুম, খেলার মাঠ ও পৃথক টয়লেট সুবিধা রয়েছে।
৩. শিক্ষার্থী ও সাফল্য: ২০১২ সাল থেকে ২১৩ জন বিশেষ শিশুকে বিনা বেতনে শিক্ষা ও থেরাপি দেওয়া হচ্ছে। শিক্ষার্থীরা স্পেশাল অলিম্পিক সাব গেমস ও বিভাগীয় পর্যায়ে পুরস্কৃত হয়েছে।
৪. বিশেষায়িত সেবা: স্পিচ থেরাপি, অকুপেশনাল থেরাপি, ফিজিওথেরাপি এবং প্রত্যেক শিশুর জন্য Individual Education Plan (IEP) অনুযায়ী পাঠদান চালু আছে।

শিশুদের মানবেতর জীবন:

এই ২১৩ জন শিশুর বেশিরভাগই হতদরিদ্র পরিবারের। সরকারি স্বীকৃতি না থাকায় তারা সরকারি উপবৃত্তি, শিক্ষা উপকরণ ও চিকিৎসা সহায়তা থেকে বঞ্চিত। থেরাপিস্টের অভাবে অনেক শিশুর শারীরিক অবস্থার অবনতি হচ্ছে। তাদের বাবা-মা দিনের পর দিন সন্তানকে ঘরে তালাবদ্ধ করে রেখে কাজে যেতে বাধ্য হচ্ছেন।

শিক্ষকরা ১৩ বছর ধরে বিনা বেতনে জাতির এই বিশেষ সন্তানদের সেবা দিয়ে যাচ্ছেন। এটি সরকারের অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা ও “কাউকে পিছনে ফেলে নয়” নীতির সাথে সাংঘর্ষিক।

অতএব, গাইবান্ধা জেলার এই একমাত্র পূর্ণাঙ্গ জেলা মডেল প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়টিকে দ্রুত স্বীকৃতি ও এমপিওভুক্তির আওতায় এনে ২১৩ জন প্রতিবন্ধী শিশুর সাংবিধানিক অধিকার ও শিক্ষকদের শ্রমের মর্যাদা প্রদানের জন্য সরকারের নিকট জোর দাবি জানানো যাচ্ছে।

প্রধান শিক্ষক
মোছাঃ শাকমিন খাতুন (এমএ,বিএসএড)
ফোন নম্বর: 01724553165
২২-০৭-২০২৬ইং।


0 বার দেখা হয়েছে

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করছেন অতিথি পাঠক হিসেবে — নিজের নাম দিয়ে যুক্ত হতে চান?
এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

নতুন একাউন্ট তৈরি করুন

আগেই একাউন্ট আছে? লগ ইন করুন
আরও পড়ুন নতুন পোস্ট পুরোনো পোস্ট
দৈনিক চালচিত্র
লেখক তালিকা
চাকরির বিজ্ঞপ্তি
অন্যান্য