প্রেমের প্রস্তাব ফেরানোয় রাবি ছাত্রীকে অস্ত্রের ভয় ও হুমকির অভিযোগ ওয়ার এন্ড পীস -[প্রসঙ্গ কথা] অভিমান, ৫ম খন্ড পর্যন্ত মানুষ কে? বুনো হাঁস মেঘনাদবধ-[২য় সর্গ-০২] মেঘনাদবধ-[২য় সর্গ-০১] ফলাফল ভাঙা তৃণমূলে ভাটার টান! ২১ জুলাইয়ের জোড়া সমাবেশে জমায়েত গত বছরের পাঁচ শতাংশ ‘ইন দ্য সিটি’ রিইউনিয়নে উত্তপ্ত বাক্যযুদ্ধ, সম্পর্ক নিয়েও নতুন তথ্য দিলেন তারকারা
LIVE
দৈনিক চালচিত্র | dailychalchitra.com
সংবাদ

প্রেমের প্রস্তাব ফেরানোয় রাবি ছাত্রীকে অস্ত্রের ভয় ও হুমকির অভিযোগ

লেখক: ডেস্ক রিপোর্ট

প্রকাশ: 27 July, 2026, 07:14 PM

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে এক নবীন ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় অস্ত্রের ভয় দেখিয়ে হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক সিনিয়র শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে।

রোববার (২৬ জুলাই) রাতে ভুক্তভোগী ওই ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ জমা দেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভুক্তভোগী ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃত বিভাগের ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী। অভিযুক্ত শিক্ষার্থী একই বিভাগের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মহসিন আলম।

লিখিত অভিযোগে ছাত্রী উল্লেখ করেন, গত ২২ জুলাই থেকে অভিযুক্ত তাকে বিভিন্নভাবে বিরক্ত করে আসছিলেন। এক পর্যায়ে প্রেমের প্রস্তাব দিলে তিনি তা ফিরিয়ে দেন। এরপর ২৬ জুলাই বিকেলে তাকে জোর করে ক্যাম্পাস সংলগ্ন পদ্মা পাড়ে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে আবারও একই প্রস্তাব দিলে তিনি রাজি না হওয়ায় অভিযুক্ত পকেট থেকে ধারালো অস্ত্র বের করে ভয় দেখান এবং আগ্নেয়াস্ত্রের ভয় দেখিয়ে হুমকি দেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে।

অভিযোগপত্রে আরও বলা হয়, ওই ছাত্রী কান্নাকাটি শুরু করলে তাকে সেখান থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়। পরবর্তীতে রুয়েট এলাকা ঘুরিয়ে আবার পদ্মা পাড়ে নিয়ে পানিতে ফেলে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়। এক পর্যায়ে তাকে তার মেসে পৌঁছে দেওয়া হয়।

ভুক্তভোগীর দাবি, ঘটনার কিছুক্ষণ পর থেকেই বিভিন্ন অপরিচিত নম্বর থেকে তার মোবাইলে কল আসতে থাকে। ফোনে বলা হয় অভিযুক্ত আত্মহত্যা করেছে এবং তাকে বিশ্ববিদ্যালয় ছেড়ে চলে যেতে হবে বলেও হুমকি দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে অভিযুক্ত শিক্ষার্থীর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এদিকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সভাপতি সুলতান আহমেদ রাহী বলেন, অভিযুক্ত ছাত্রদলের সক্রিয় কর্মী নন। অভিযোগের সত্যতা যাচাই না করে কাউকে দোষী বলা ঠিক হবে না। তদন্তে প্রমাণ মিললে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, অভিযোগ পেয়েছি এবং ভুক্তভোগীর কথা শুনেছি। অভিযুক্তসহ সংশ্লিষ্টদের ডাকা হয়েছে। এক পক্ষের কথা শুনে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না। উভয় পক্ষের কথা শুনে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তিনি আরও বলেন, অভিযুক্তের হাসপাতালে ভর্তির যে কথা বলা হচ্ছে, সেটি রহস্যজনক মনে হচ্ছে।


0 বার দেখা হয়েছে

মন্তব্য করুন

মন্তব্য করছেন অতিথি পাঠক হিসেবে — নিজের নাম দিয়ে যুক্ত হতে চান?
এখনো কোনো মন্তব্য নেই — প্রথম মন্তব্যটি আপনিই করুন!

নতুন একাউন্ট তৈরি করুন

আগেই একাউন্ট আছে? লগ ইন করুন
আরও পড়ুন নতুন পোস্ট পুরোনো পোস্ট
দৈনিক চালচিত্র
লেখক তালিকা
চাকরির বিজ্ঞপ্তি
অন্যান্য